মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ব্যবসা বাণিজ্য

এক সময় এই এলাকা হিন্দু প্রধান ছিল বলে অনুমান করা হয় । ভারত বিভাগের পর মাইগ্রেশনের ফলে অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে প্রায় তিন চতুর্থাংশ মুসলমান। এখানে আর্থ-সামাজিকতা মুলতঃ কৃষি নির্ভর। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী পরিবারের সংখ্যাই বেশী । মধ্যম শ্রেণীর চাষী পরিবারের সংখ্যা ও বড় কৃষক পরিবারের সংখ্যা কম  হলেও তারাই বেশীর ভাগ ভূমি মালিকানার অধিকারী । জ্ঞানার্জন ও শিক্ষা গ্রহণের প্রতি আগ্রহ না থাকায় অতীতে উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। নারীদের ক্ষেত্রে ধর্মীয় গোড়ামী ও কুসংস্কারে বিশ্বাস থাকায় শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁরাও পিছিয়ে রয়েছে। ধর্মীয় কুসংস্কার দারিদ্র ও অশিক্ষার ফলে এখানে বাল্য-বিবাহের বেশ প্রচলন আছে। বিশেষ করে গরীব শ্রেনীর লোকের মধ্যে বেশী দেখা যায়। যুগের পরিবর্তন ও আধুনিক উন্নয়নের ধারায় গ্রামীন উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কিছু কিছু লোক তাদের পেশার পরিবর্তন ঘটিয়ে চাকুরী, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য লাভজনক পেশা গ্রহন করে সুফল ভোগ করছে।

রাণীনগর উপজেলার হাট বাজারের অবস্থান ও নির্মান কাঠামোতে আধুনিকতার ছাপ নেই বললেই চলে। গ্রাম্য জনগোষ্ঠীর চাহিদা মাফিক দোকানে পণ্য-সামগ্রী সাজানো হয়েছে। বেশীর ভাগ হাট/বাজারের স্থাপনা অর্ধ পাকা এবং অস্থায়ী ছাউনি। নওগাঁ জেলা সদর বাজার থেকে পণ্য সামগ্রী এসে থাকে। উপজেলা হেড কোয়ার্টারে উপজেলা পরিষদ ও ব্যক্তি মালিকানায় কয়েকটি পাকা মার্কেট তৈরি হয়েছে। এসব মার্কেট-এ চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সকল দ্রব্য সামগ্রী পাওয়া যায়। বড় বড় কয়েকটি হাট/বাজার পাকা রাস্তার পার্শ্বে অবস্থিত হওয়ায় যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থার সুযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ক্রয়-বিক্রয়কৃত পণ্যের মধ্যে স্থানীয় উৎপাদিত ধান, গম, সরিষা, মরিচ, আলু, আম  প্রধান ।